কুমারখালীতে দুই বধূর এক স্বামী ! তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর দাবী অন্তঃসত্ত্বা !

ভয়েস অফ কুষ্টিয়া ।। কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়ন এর কেশবপুর গ্রামের আব্দুল মোল্লার ছেলে মামুন মোল্লা সুমি খাতুনকে বিয়ে করে ২০১৬ ইং সালের ৬ই জুন ।

এরপর গত ২০১৯ ইং সালে ২৬শে অক্টোবর মামুন মোল্লা একই উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের এলঙ্গীপাড়া আবাসনের ইউনুস আলীর মেয়ে মুক্তা খাতুনকে নিয়ে পালিয়ে যায় । মামুনের পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুজির পরে জানতে পারে মামুন মোল্লা মুক্তাকে বিয়ে করে ঢাকাতে অবস্থান করছে । সে সময় মামুন মোল্লার পরিবারের লোকজন এবং প্রথম স্ত্রী সুমির পরিবারের ঢাকাতে যায় । কিন্তু মামুন মোল্লা ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী মুক্তার সংসার বিভিন্ন ঝামেলা শুরু হলে তারা বিয়ের আট মাসের মাথায় আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ।

অতপরঃ মামুন মোল্লা এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী মুক্তার পরিবারের কর্তাদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক মামুনের দ্বিতীয় স্ত্রী মুক্তাকে তার দেনমোহর ও খোরপোষের সমস্ত টাকা বুঝিয়ে দিয়ে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ের আট মাসের মাথায় তাদের খোলা তালাক হয় ।

মুক্তা এখন আবার দাবী করছে সে অন্তঃসত্ত্বা । মামুনের প্রথম স্ত্রী সুমরি দাবি মামুনের সাথে পালিয়ে যাওয়ার আগেও মুক্তা (মামুনের ২য় স্ত্রী) এমন দাবি করেছিলো যা সম্পূর্ন মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়েছিলো ।

মামুনের ২য় স্ত্রী মুক্তার সাথে তার কোন যোগাযোগ বা সম্পর্ক আছে কিনা জানতে চাওয়া হলে মামুন জানায় তালাকের পর থেকে মুক্তার সাথে তার কোন সম্পর্ক নাই । তবে মামুনের ২য় স্ত্রী মুক্তা তাকে বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন নাম্বার থেকে তাকে ফোন করতো । মামুন আরও বলেন সে তার তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী মুক্তার কন্ঠ শোনা মাত্রই ফোন কেটে দিতো ।

মামুনকে তার ২য় স্ত্রী মুক্তার অন্তঃসত্ত্বার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মামুন বলেন ডিএনএ টেষ্ট করিয়ে দেখন আমি অপরাধী হলে যে কোন শাস্তি মাথা পেতে নিবো ।

অপরদিকে মামুনের ২য় স্ত্রী মুক্তার সাথে কথা বললে সে জানায় তার পেটে মামুনের বাচ্চা এবং ডিএনএ টেস্ট করালে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে । মুক্তা জানায় ব্লাস্ট এ অভিযোগ দেয়া হয়েছে তারা যে বিচার করবে সেটা মেনে নিবে।

আলোচিত খবর

error: Content is protected !!