খোকসা ঈশ্বরদী বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ধর্ষণের অভিযোগ

ভয়েস অফ কুষ্টিয়া ।।  কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা ঈশ্বরদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া বিষয়ক শিক্ষক প্রবীর কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে এক গৃহ বধুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন ঈশ্বরদী বাজারের চা বিক্রেতা আব্দুল কুদ্দুস এর স্ত্রী কে বাড়ি থেকে সুকৌশলে ডেকে নিয়ে গিয়ে খোকসা রায়পুর গ্রামে এক বাড়িতে নিয়ে যায়। এবং মেয়েটিকে জোরপূর্বক অবৈধ কাজে বাধ্য করায় প্রবীর কুমার বিশ্বাস। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে গেলে তাদেরকে বিবস্ত্র অবস্থায় আটক করেন।

ঘটনার বিবরণে ধর্ষিতা নারী বলেন আমাদের বাড়ির পাশে বিদ্যালয়টি হওয়ায় ও বাড়ির সামনে টি স্টল থাকায় ওই শিক্ষক প্রতিনিয়ত যাতায়াত করেন এবং কৌশলে আমার মোবাইল নাম্বারটা নেন। আর মাঝেমধ্যেই আমাকে টাকা পয়সার লোভ ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী দেয়। গতকাল মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) আমাকে কৌশলে একটি বাড়িতে দেখা করার কথা বলে ডেকে নিয়ে যায়। পরে সুযোগ বুঝে আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। আমি চিৎকার দিলে ঘটনাস্থলে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান। এবং প্রবীর কুমার মাস্টারকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ বাবুল আক্তার ও যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আল-মাসুম মোর্শেদ শান্তর অধীনে নিয়ে যায় বলে তিনি জানান।

খোকসা তদন্ত পুলিশ এসআই মোজাম্মেল,এ বিষয়ে ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন বিষয়টি গত কালকের পুলিশকে কেউ কোনো তথ্য দেয়নি। ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। আমরা সরোজমিনে এসে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।

এ অভিযোগ পাওয়ার পরে ঘটনার সত্যতা জানার জন্য প্রবীর কুমার বিশ্বাসের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাপর প্রবীর কুমার বিশ্বাসের বাড়িতে গেলে তার বাবা, স্ত্রী প্রশাসন ও মিডিয়ার সামনে বলেন ঘটনার অভিযোগ সত্য নয়। ওই মেয়েটি আমার স্বামীকে ওই বাড়িতে নিয়ে গেছে। তবে যা কিছু ঘটেছে এ বিষয়টি বাবুল আক্তার ও শান্ত সবই জানে এবং বিষয়টি মিটিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। আপনারা আমার বাড়িতে আসবেন সেটা আমরা প্রত্যাশা করিনি। এ বিষয়ে সত্যতা জানতে আল-মাসুম মোর্শেদ শান্তর আনীত অভিযোগে তাঁর মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বিষয়টি কিছু জানেন না বলে জানান।

আলোচিত খবর

error: কপি করা যাবে না -ধন্যবাদ