কুমারখালীর যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীসহ নানা অভিযোগ

ভয়েস অফ কুষ্টিয়া ।। কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারী, অফিস স্টাফদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ, ইচ্ছামতো অফিসে আসা সহ নানা অভিযোগ উঠেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুব অফিসে কর্মরত একজন জানান, ১০ বছর যাবত এই অফিসে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসাবে আব্দুল হালিম রয়েছেন। তিনি অফিসে নিয়মিত না আসলেও প্রয়োজনে ফোন দিলেই জানান ফিল্ডে আছেন। অপরদিকে ইম্প্যাক্ট প্রজেক্ট ২০১৮ সালের জুন মাসে বন্ধ হয়ে গেলেও প্রজেক্টে অফিস সহকারী হিসাবে কর্মরত মহিলা স্টাফ নিয়মিত অফিসে আসেন এবং স্যারের সাথে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করেন। তিনি আরো বলেন সম্প্রতি হিজলাকর আবাসনে সেলাই প্রশিক্ষণে স্যার নিয়মিত ঐ মহিলাকে নিয়ে গেছেন অথচ রাজস্ব খাতে আমরা যারা আছি আমাদেরকে তিনি নেননি। মহিলার স্বামী আনিসুর রহমান রত্ম একই প্রজেক্টে ক্রেডিট সুপারভাইজার হিসাবে ছিলেন তাকেও সাথে নিয়ে যাননি। অথচ ১৮ নভেম্বর স্যার ও অফিস সহকারীকে নিয়ে কথা উঠেছে আবাসনের পিছনে আখ ক্ষেতে তাদেরকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরেছে এলাকার মানুষ। তিনি আরো জানান যুব উন্নয়ন অফিসের সামনে ডরমিটরিতে স্যারের একটি রুম রয়েছে এখানে বিভিন্ন অজুহাতে স্যার ও অফিস সহকারী মিলিত হন। এটা সবাই জানে। তিনি আরো বলেন কোনভাবেই যেন আমার নাম প্রকাশ না হয় তাহলে আমার বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল হালিম জানান, প্রজেক্ট ২০১৮ সালে বন্ধ হয়ে গেলেও তার চাকরিতো চলে যায়নি সে আমার সাথে যেতেই পারে। আবাসনে আখ ক্ষেতে তাদের আপত্তিকর অবস্থার বিষয়ে জানান তারা ঘুরতে বেড়িয়েছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়। মহিলা স্টাফের শরীরের আপত্তিকর স্থানে হাত দেওয়ার বিষয়ে বলেন হ্যাঁ একজন ওর গায়ে হাত দিয়েছিলো। এ বিষয়ে থানায় কোন অভিযোগ দিয়েছেন কিনা? জানান মৌখিকভাবে জানিয়েছিলেন। কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচরণ ও অফিসে ঠিকমতো না আসার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।

যুব উন্নয়নের ডিপুটি ডিরেক্টর মাসুদুল হাসান জানান, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেননা। তার কাছে কোন অভিযোগ এখনও আসেনি। আর একই উপজেলায় ১০ বছর কেন অনেক জায়গায় ২০ বছর পর্যন্ত যুব উন্নয়ন কর্মকর্তারা চাকরী করছেন।

আলোচিত খবর

error: কপি করা যাবে না -ধন্যবাদ